পোস্ট

মধুবালা

মনে কি পরে বলো  মধুবালা... ইটপাথরের সে ভাঙ্গা পথটা থমকে দ্বারাতে কাকে যে দেখে গৌধূলীর ছায়া মাখা কোন সন্ধায়... আমার তো ভোর হতো তোমায় ভেবে নির্ঘুম রাতকে আকাশে সঁপে! বোঝাতে পারো কি মধুবালা? কতটা স্বপ্নে হাটা চলা- জীবনের আধ্যায়ের নিদারুন সুর নিজেরই সাথে মানিয়ে চলা.... মনে কি পরে বলো মধুবালা? আমার দেয়া ২২২টা শেষ ডিজিট আর টার্চস্কিন রিক্ত করে দিল তর tex টা...

ঈশ্বরনিরঈশ্বরেরমিলিত চৌধুরী

ছবি
পুণ্যপাপ/ঈশ্বরীক নগ্ন পাপী.... ব্যস্তময় পিচঢালা শহরমুখি রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে দ্যাখলাম আমার চোখে হাঁটছে একটা সাইনবোর্ড, জান্নাতুল মাওয়া এম জামে মসজিদ... হৃদস্পন্দন ঝংকিত হলো! সেই জন্মলগ্ন থেকেই জানতাম ঈশ্বর অদৃশ্য কেউ, সবাই তা জানে! বাস করে সাতআসমানে। এতদিন জানতাম সাইনবোর্ড লাগানো এইঘর ঈশ্বরের! তাই প্রায়  সিজদাহ্ দিতাম আর দেইও... আমাদের কপাল বেয়ে চোখে ক্রমশঃ বেড়ে উঠে অজস্র সাইনবোর্ড। কয়েক গোছা কেঁশ ধরে টানতে টানতে নিয়ে যায় সেখানে। কোন স্বর্গরাজ্যের লোভ দেখিয়ে! একটা সময় এসে জানলাম ঈশ্বরের নয়, এইঘর পূর্বকোনো বংশধরের।  জানতে জানতে জানতে আরো জানলাম, ঈশ্বর পূর্ববংশের কেউ... —👉ঈশ্বরনিরঈশ্বরেরমিলিত চৌধুরী

আমি সে আর জীবনানন্দদাস

কবিতার এক বিরাট গল্পছিলো প্রাচীন কাল বেয়ে বর্তমানে.... সেসময়ে কবিতা নিয়ে মিছিল হতো,  এ শহরের বুকে। তখন কবিতার নান্দনিক ঐশ্বর্যছিল! স্লোগান উঠতো,  'আরও কবিতা পড়ুন।’ সেসময় কবিতা লিখতো, এক তরুণ। স্কুলে থাকতে, অল্প-স্বল্প। কলেজে এসে নিয়মিত , বিশ্ববিদ্যালয় এসে আরো; অডিটরিয়াম হলের সিঁড়িতে দাড়িয়ে সে বক্তৃতা দিতো, অন্য সব তরুণ কাল্পনিক মনোত্তীর্ণ কবিদের সঙ্গে।  বসন্তবরন,বৈশাখ,কবিদের জম্ম অথবা মৃত দিবস ইত্যাদি  গিরে কবির চিত্তেবিক্ষোব হতো কবিতা নিয়ে ব্যানার,ফেস্টুন ভরে যেতো বিশ্ববিদ্যালয়ের উঁচু দালান। বিনয় মজুমদার বলতো,— “আমি এখন যা লিখছি, সে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক।  তার মানে ভবিষ্যতে আমার কবিতা ছাত্র-ছাত্রীরা পড়তে বাধ্য হবে। সেহেতু, এখন আমার কোনো পাঠক না থাকলেও চলবে।” কবি উপেক্ষিত ও অনালোকিত কোন শ্লোগান নেই,রাজপথে কোন মিছিলও নেই! চোখে ভেসে উঠা সাইনবোর্ড ও ঈশ্বর নিজেস্ব প্রাতিস্বিকায়! কবির মুখামুখি ছিল বনলতাসেন ! নেবুচাঁদের স্বর্গরাজ্যে বসতি গড়তে... গৌধূলী ক্ষনে বুঝাতে চেয়েছিলেন অঙ্গজ্বালা । সেই লুপ্ত সময় আমি বসেছিলাম সমুক্ষে দিলো মধুবালা....!